• ১১ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Procession

রাজ্য

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মজয়ন্তী পালনে ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ, সংবর্ধনা শিক্ষক সমাজকে

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করল ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। এদিন সকালে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় কয়েক শো মানুষ। বিশেষ সজ্জিত ট্যাবলো প্রভাতফেরিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। স্বামীজির গলায় মাল্যদান করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি অরুন নন্দী।এদিন বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি এলাকার ১২জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও ৯ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাব প্রাঙ্গনে আবৃত্তি, সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ক্লাবের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা, সহ সম্পাদক আশুতোষ দে বলন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করেছি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।এছাড়া সারাবছর নানা সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমাদের ক্লাব। রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবির নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে ক্লাব। স্বামীজি সংঘের কার্যকর্তা অনুপম গাইন, সঞ্জু সাহা, খোকন সরকার, কালাচাঁদ দে সহ অন্যদের সক্রিয় ভূমিকায় দিনভর অনুষ্ঠান সার্বিক সফলতা পেয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন

ইদের মঞ্চে ভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই ভোট দেওয়ার বার্তা দলনেত্রীর। বৃহস্পতিার কলকাতার রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদায়ী সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই এদিন তৃণমূলনেত্রী ফের একবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকে।বৃহস্পতিবার ইদের সকালে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে রেড রোডের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ফের একবার সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রী বলেন, CAA, NRC চাই না। আমরা কোনও ভেদাভেদ চাই না। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকতে চাই। সবাইকে এককাট্টা হতে হবে। একাধিক এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে ভয়ের আবহ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনই অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায় ,ভোটের আবহে ভয় দেখাতে চাইছে কেউ কেউ। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতর দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। সবাইকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। ভোটের সময় বেছে বেছে মুসলিম লিডারদের ফোন করে বলছে কি চাই? আমাদের সঙ্গে বিজেপির লড়াই এখানে। তৃণমূল ছাড়া একটা ভোটও অন্য কোনও দলকে দেবেন না।এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পার করে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। বিজেপির সেই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করে এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো একুশের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে এদিন বলেন, বলেছিল এবার দুশো পার। সত্তরেই শেষ। এখন বলছে চারশো পার। আগে দুশো পার করে দেখাও।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
শিক্ষা

যাদবপুরে অস্বাভাবিক ছাত্র মৃত্যু নিয়ে গর্জে উঠল 'বাংলা পক্ষ', তোলপাড় বিশ্ববিদ্যালয়

আবার লাইমলাইটে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলা পক্ষের জানায়, সেখানে দৃষ্টিহীন ছাত্রী মালবাজারের রেনেসাঁ দাসের অস্বাভাবিক ছাত্র মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা আরও জানায়, দুই বহিরাগত ক্রিমিনাল সুরজ ঝাঁ ও পাপ্পূ সোনা গান্ধীর শারীরিক-মানসিক অত্যাচারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন, মেধাবী বাঙালি ছাত্রী মালবাজারের রেনেসাঁ দাস আত্মহত্যা করেছে। খুনিদের শাস্তির দাবিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সভার অয়োজন করে বাংলা পক্ষ।বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, মৃতা রেনেসাঁ দাস জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজারের বাসিন্দা। এই অস্বাভাবিক ছাত্র মৃত্যু-র প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভে মুখর হয়। বাংলা পক্ষ ও ছাত্র সংগঠন বাংলা ছাত্র পক্ষ, ও প্রতিবাদ সভায় অংশ নেয়। খুন হওয়া বাঙালি মেয়ের খুনিদের শাস্তির দাবিতে গর্জে উঠে বাংলা পক্ষ।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের জলপাইগুড়ি জেলার বোন, বাঙালি বোন রেনেসাঁ দাসকে অত্যাচার করে খুন করেছে দুই বহিরাগত জন্তু সুরজ ঝাঁ এবং পাপ্পু সোনা গান্ধী। লজ্জার কথা যে বিপ্লবের কথা বলা, বড় বড় রাজনীতির কথা বলা সব দল, সব ছাত্র সংগঠন আজ চুপ। মিডিয়ায় প্রাইম টাইমে টক শো নেই। কিন্তু বাংলা পক্ষ লড়ছে। বাংলা ছাত্র পক্ষ লড়ছে। এই গুন্ডাদের বাংলার মাটি থেকে উপড়ে ফেলবে বাংলা পক্ষ। খুনিদের ফাঁসি চাই। আমরা বাংলার মাটিতে কোনো কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত ক্রিমিনালদের আর মাথা তুলে দাঁড়াতে দেব না।সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, আজ যাদবপুরের বাকি ছাত্র সংগঠন গুলো খুনিদের বাঁচাতে ব্যস্ত। বোনের খুনিদের শাস্তির দাবিতে কেউ সোচ্চার নয়। কিন্তু ভাবুন তো যাদবপুরে বাংলা ছাত্র পক্ষর বড় সংগঠন থাকলে কোনো বহিরাগত জন্তু বাঙালি মেয়েকে অত্যাচার তো দূরের কথা, বাঙালি মেয়েদের দিকে কুদৃষ্টিতে তাকাতে পারতো? আমরা আগামীতে সব বড় ইউনিভার্সিটিতে সংগঠন খুলবো। আমরা যাদবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৯০% ডোমিসাইল চালু করিয়েছি। এবার সব বিভাগে ডোমিসাইল চালু করাবো। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডোমিসাইল চালু করাবো৷বাংলা ছাত্র পক্ষর প্রধান রণ ভট্টাচার্য বলেন, আমরা যাদবপুর সহ কোনো বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে, মেডিক্যাল কলেজে যাতে গ্রাম তথা জেলার ছেলেমেয়েরা অত্যাচারিত না হয় সেজন্য বাংলা ছাত্র পক্ষ সব জায়গায় লড়াই করবে এবং সংগঠন খুলবে। আমরা যাদবপুরকে বহিরাগতদের আবাদ ভূমি হতে দেব না।এছাড়াও এই প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, অর্ক ঘোষ, অভিজিৎ দে, কুশনাভ মণ্ডল, লীনা রায় সহ আরও অনেকে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

পর্যটন সহ নানা কাজে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে ভুটান সীমান্তে বাংলা পক্ষর প্রতিবাদ সভা

শীতের প্রাক্কালে যখন ভুটান ও তার সীমান্ত এলাকার মানুষজন শীতবস্ত্রের পসরা নিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিকিকিনির আসর জমাতে শুরু করে, ঠিক সে সময় আলিপুরদুয়ার জেলার ভুটান সীমান্তবর্তী জনপদ জয়গাঁতে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে বাংলা পক্ষ হাজির। জয়গাঁ বর্তমানে একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বাংলার অন্যান্য জায়গার মত গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এখানেও বাড়ছে বহিরাগত দখলদারদের আগমন। জয়গাঁ সহ পুরো আলিপুরদুয়ার জেলায় বাঙালি, কোচ, মেচ, রাজবংশী, আদিবাসী, নেপালী সহ সমস্ত ভূমিপুত্রদের অধিকারের স্বার্থে গর্জে উঠল বাংলা পক্ষ। আলিপুরদুয়ারের ভূমিপুত্রদের কাজ দখল হচ্ছে। অটো, টোটো লাইন, হোটেল, পর্যটন সহ সকল কাজে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে এদিন সভা করে বাংলা পক্ষ। সভায় উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য সম্রাট কর ও জেলা পর্যবেক্ষক রজত ভট্টাচার্য। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক আলিপুরদুয়ার জেলার সম্পাদক উত্তম দাস। গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন জয়গাঁর সকল বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের ঐক্যবদ্ধ করবে বাংলা পক্ষ। এখানকার পর্যটন, হোটেল, পরিবহন এর মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা বাঙালির অধিকারে রাখতে হবে। সব ধরনের কাজ কাজে ভূমিপুত্রকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, কোন বহিরাগতর দাদাগিরি চলবে না।কৌশিক মাইতি তাঁর বক্তব্যে বিজেপির বাংলা ভাগ চক্রান্তের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের সচেতন করেন, বাংলা পক্ষ বাংলা ভাগ হতে দেবে না বলে তিনি জানান। সভা ঘিরে এই সীমান্ত শহরের বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

রামনবমীর শোভাযাত্রার পর হনুমান জয়ন্তী, তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে এখনও থমথমে হুগলির রিষড়া। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, হাওড়ার শিবপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে। এদিকে আগামী কাল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী পালন করতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। কলকাতা হাইকোর্ট এদিন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে হনুমান জয়ন্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মতোয়েন করতে।কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হনুমান জয়ন্তীতে বাংলায় তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় উপদ্রুত এলাকায় এই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুধবার নাবান্নে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি অশান্তি রুখতে বেশ কয়েকটি নির্দেশ জারির পথে রাজ্য প্রশাসন। বৃহস্পতিবারের কোনও শোভাযাত্রায় ১০০ জনের বেশি লোক থাকতে পারবে না। স্পর্শকাতর এলাকায় থাকবে ১৪৪ ধারা।এদিন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার থেকে বড় কিছু হতে পারে না। এই দুটি বিষয়কে সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে কোথাও হিংসার সম্ভাবনা থাকলে রাজ্য সরকারকে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য করতে হবে কেন্দ্রকে। আদালত আরও বলেছে, মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে হিংসা কবলিত এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনার রুট মার্চ অত্যন্ত দরকারি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
রাজ্য

হুগলী শিল্পাঞ্চলের বেদখল জমি পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়ে শ্রীরামপুরে মিছিল বাংলা পক্ষর

বাংলা পক্ষ হুগলীর শ্রীরামপুরে এক ঐতিহাসিক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীরামপুরের বান্ধবসমিতির মোড় থেকে আরএমএস (RMS) ময়দান হয়ে বটতলা, জিটি রোড হয়ে মাহেশে এসে এই মিছিল শেষ হয়। হুগলী নদীর পাড়ের দখল হয়ে যাওয়া শিল্পাঞ্চলের প্রচুর সহযোদ্ধা এই মিছিলে যোগদান করে। স্থানীয় বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এই মিছিলের সমর্থনে পা মেলায়।রবিবাসরীয় এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, কলকাতা জেলা সম্পাদক অরিন্দম চ্যাটার্জী, উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল) এর সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ও উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল) এর সম্পাদক পিন্টু রায়।মিছিল শেষে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন দখল হয়ে যাওয়া হুগলী নদীর দুই পাড় পুনরুদ্ধার করতে হবে। ডানকুনির লজিস্টিক হাব সহ হুগলী শিল্পাঞ্চলে যে কাজের সুযোগ তৈরী হচ্ছে, সেখানে বাঙালির কাজ চাই। বাংলা পক্ষ আজ ঐতিহাসিক মিছিল করল। এই মিছিল দেখে হুগলীর বাঙালি তথা বাংলার বাঙালি বুকে বল পাবে। বাঙালির জনজোয়ার বুঝিয়ে দিচ্ছে গঙ্গার দুপারে বহিরাগতদের রাজত্ব শেষ হওয়া সময়ের অপেক্ষা।সংগঠনের শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন রিষড়া, ভদ্রেশ্বর, চাঁপদানী বিহার না বাংলা বোঝা যায় না, বেশীর ভাগ কাউন্সিলার বহিরাগত, চারদিকে সিং গজিয়ে উঠছে। যে সিং বাঙালিকে গোঁতাতে আসবে আমরা তা ভোঁতা করে দেব। বাংলার চাকরি, কাজ, বাজার, পুঁজি সবকিছুর দখল আমরা চাই।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা হুগলী জেলার ভূমি সন্তান মনন মণ্ডল বলেন, ব্যান্ডেল থেকে উত্তরপাড়া হুগলীর দুপাড়ে বাঙালি কোনঠাসা হয়ে গেছিল। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে বাঙালি আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে৷ ৩০ বছরের কম বয়সী ছেলেমেয়েরা মিছিলে হাঁটছে৷ এটা আগামীর স্বপ্ন দেখায়।হুগলী জেলা সংগঠনের সম্পাদক দর্পণ ঘোষ বলেন এই মিছিলে বাঙালির মনে যে আলোড়ন তৈরী হল, তা ঘরে ঘরে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলবে। বাঙালি নিজের অধিকার বুঝে নেবে। কারখানায় কাজ থেকে অটো, টোটো লাইন থেকে ফুটপাথ- সর্বত্রই আমরা বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যে স্বপ্ন আমরা ৫ বছর আগে দেখেছিলাম, জিটি রোডের উপর বাঙালির গর্জন বুঝিয়ে দিচ্ছে বাঙালি দ্রুত জাগছে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতির জন্য বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বর্ধমানে

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতির জন্য বৃহস্পতিবার বর্ধমানে বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। ছৌ নৃত্য, মহিলা ঢাকি,রণপা, আদিবাসী নৃত্য সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে পদযাত্রা শেষ হয় টাউনহলে। পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, বিধায়ক খোকন দাস, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু, পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার, পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।বর্নাঢ্য শোভাযাত্রায় শহরের বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনও অংশগ্রহণ করেপদযাত্রায় শহরের দুর্গাপুজো কমিটি গুলিও অংশ নেয়। তারাও বিভিন্ন সুসজ্জিত ট্যাবলো নিয়ে পদযাত্রায় হাঁটে। পাশাপাশি শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়ারাও এদিনের পদযাত্রায় ছিল। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এদিন বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পদযাত্রায় শহরের ছোট বড় দুর্গাপুজো কমিটি ও ক্লাবের সদস্যরাও এদিন অংশ নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

নদীয়া'য় বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে রাস্তায় নামল বাংলা পক্ষ

হরিণঘাটার ফ্লিপকার্ট, কল্যানীর AIIMS, কল্যানী শিল্পাঞ্চল, কাঁচরাপাড়ার রেলের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে নদীয়ার কল্যানীতে মিছিল করল বাংলা পক্ষ। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ড থেকে এসে কেন বহিরাগতরা চাকরি, কাজ ও ব্যবসা সব দখল করবে? এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষর নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল হল। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক রজত সেন, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, নদীয়ার সম্পাদক কৌশিক বর্মন, মধুসূদন ঘোষ, পিন্টু বণিক, প্রদীপ কর প্রমুখ। মিছিল শেষে গয়েশপুরে একটি পথসভাও হয়। পথসভায় বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাঙালির প্রহরী হিসাবে চিল ও বাজপাখির মতো উপর থেকে সব নজর রাখছে। বাংলা পক্ষ বাঙালির স্বার্থ রক্ষা করছে। বাঙালি বাঘের জাতি, তাই এই শিল্পাঞ্চলকে বিহার বানাতে দেবে না বাংলা পক্ষ। আমাদের ছেলেমেয়েরা মাথা উঁচু করে চাকরি, ব্যবসা ও কাজ করবে। ধানের গোলা থেকে রাইস মিল থেকে সমস্ত ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজ চাই।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, বাঙালি ছেলেমেয়েরা মূলত বাংলা মাধ্যমের ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষার কেন্দ্র সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য বাংলা পক্ষ লড়াই করছে। বাংলার সমস্ত রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় লিখিত বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করবেই বাংলা পক্ষ। অনেক পরীক্ষায় ইতিমধ্যেই আমরা সাফল্য পেয়েছি। ফ্লিপকার্ট, এইএমস সহ সব জায়গায় ৮৬% বাঙালিকে কাজ না দিলে বাংলা পক্ষ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
রাজ্য

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও ১০০ দিনের কাজের প্রাপ্য টাকার দাবিতে বর্ধমানে মহামিছিল

রাজ্যে যখন বিজেপি-র সর্ব-ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা দলকে অক্সিজেন যোগান দিতে এসেছেন, ঠিক সেই সময় সারা রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামল তৃণমূল কংগ্রেস। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প-র বকেয়া প্রদান ও পেট্রোপণ্য সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার বর্ধমান শহরে এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন তৃণমূল কংগ্রেস। মিছিলটি শুরু হয় বংশগোপাল টাউন হল থেকে। মিছিলের নেতৃত্ব দেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, উত্তরফটক-এ গিয়ে এক পথসভা করে মিছিলের পরিসমাপ্তি হয়।বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানান বর্ধমান পুরসভার ৩৪টি ওয়ার্ডের অধিকাংশ পুরপিতা এই মহা মিছিলে অংশ নেন। তিনি আরও জানান আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার তৃণমূল সমর্থক পা মেলান এই প্রতিবাদ মিছিলে। বিধায়ক খোকন দাস জানান, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেভাবে পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন ও রান্না গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে তাতে করে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।বর্ধমান শহরে তৃনমুলের মহামিছিলবর্ধমান শহর আর এক তৃণমূল নেতৃত্ব সুজিত কুমার ঘোষ জনতার কথা কে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বিচারিতা ও বৈমাতৃক সুলভ আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাই, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বিভিন্ন সভায় জানিয়েছেন ৯৪ হাজার কোটি টাকা জিএসটি থেকে প্রাপ্য রাজ্যের পাওনা কেন্দ্রের এই অমানবিক সরকার আটকে রেখেছে। আমরা জানি দেশের অন্য বিজেপি শাষিত রাজ্যের এই পরিস্থিতি নেই।সুজিত ঘোষ আরও জানান, পেট্রোপণ্যের আস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দাম আজ আকাশ ছোঁয়া। সাধারণ মানুষ দেখছে, এর উত্তর ২০২৪ লোকসভা তে তাঁরা দেবে। বাংলার দিদি ভারতের দিদি হতে কিছু সময়ের অপেক্ষা। আজকের মিছিলে অগণিত মানুষের উপস্থিতি সেই বার্তা-ই দিচ্ছে। বিধায়ক খোকন দাস ছাড়া এই মিছিলে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, বর্ধমান পুরসভার উপ-পৌরপতি মৌসুমি দাস, ৪ নং ওয়ার্ডের পুরপিতা নুরুল আলম, উজ্জ্বল প্রামাণিক, সুজিত কুমার ঘোষ, আব্দুল রব, শিবশঙ্কর ঘোষ, ইন্তেকাব আলম সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

জুন ০৭, ২০২২
রাজ্য

Group Clashes: বিজয় মিছিলের নামে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে জখম অন্তত ১০, গ্রেফতার ৯

বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত দশ জন। জখমদের একজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ ব্লকের পলাশন গ্রামে। খবর পেয়ে এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও র্যাফ বাহিনী ঘটনা পৌঁছায়। গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে যাওয়া পুলিশকে হেনস্থা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরেই পুলিশ ধরপাকড় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। চলছে পুলিশের টহলদারি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাসেদ শেখের সঙ্গে ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আবু আওয়াল গোষ্ঠীর বিরোধ দীর্ঘ দিনের। মেমারির বড়পলাশন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবি খাতুন ও তাঁর স্বামী আবু আওয়ালের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার এলাকায় বিজয় মিছিল হয়। তারই পাল্টা হিসেবে এদিন দুপুরে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুতের কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদের নেতৃত্বে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। পলাশন গ্রাম ঘুরে মিছিলটি মির্জাপুরের দিকে যাওয়ার সময়েই তৃণমূলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারপিট আটকাতে গেলে পুলিশও হেনস্থার শিকার হয়। এমনকি পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাবিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষের অনুগামী বলে পরিচিত গোলাম আকবর চৌধুরির অভিযোগ, তাঁদের বিজয় মিছিল পলাশন গ্রাম ঘুরে মির্জাপুরের দিকে এগোচ্ছিল। ওই সময় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী আবু আওয়াল সহ ১২-১৩ জন লাঠি, বাঁশ নিয়ে পিছন দিক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজয় মিছিলে আক্রমণ চালায় । তাতে বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদ সহ ৬-৭ জন জখম হয়েছেন। আবু আওয়ালের লোকজন বিজয় মিছিলে থাকা বেশ কয়েকটি টোটোও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে ।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাযদিও আবু আওয়ালের অনুগামিদের অভিযোগ, বিজয় মিছিলের নামে পলাশন গ্রামে ঢুকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে প্রধানের স্বামী আবু আওয়ালকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন জখম হয়েছে। আবু আওয়ালের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান রুবি খাতুনের অভিযোগ,পরিকল্পনা করে বিজয় মিছিল থেকে লাঠি-টাঙি নিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে।বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ জখম থাকায় তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পওয়া যায়নি।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এলাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Hool Revolution: হুল দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেমারির চোটখণ্ডে

হুল দিবস উপলক্ষে পূর্ব-বর্ধমান জেলার মেমারির চোটখণ্ড গ্রামে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি এদিন সিধু-কানহুর নতুন মূর্তিও উন্মোচন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিখা রায়, সভাপতি শেখ সাঈম, অর্ক ব্যানার্জি, সন্দীপ প্রামাণিক, মেমারি শহর তৃণমূল যুব সভাপতি সৌরভ সাঁতরা, মেমারি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত (গুটেন) প্রমুখরা। আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনসিধু-কানহুর পুর্নাবয়ব মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ সুশীল মূর্মু। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক ইচ্ছায় আজ চোটখন্ড গ্রামে বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে হুল দিবস পালিত হল। তিনি চোটখন্ড খেরওয়াল সুসৌর গাঁওতার শিল্পী বৃন্দ সহ সমস্ত অংশগ্রহণকারী সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন অনুষ্ঠানটিকে সফল ভাবে চালিত করার জন্য। বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্য তাঁর ছোট্ট বক্তব্যে হুল দিবসের গুরুত্ব ব্যখা করেন। এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে প্রকল্পগুলি চালু করেছেন সেগুলি তুলে ধরেন।আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনউল্লেখ্য, হুল দিবসকে ভারতের প্রথম গণসংগ্রামের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভারতের ইতিহাসে প্রথম গণ পদযাত্রার দিন হিসেবেও অভিহিত করা হয় এই দিনটিকে। ভারতের দুই অমর বীর সিধু মুর্মু ও কানহু মুর্মু আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত ইংরেজ বাহিনীর সামনে বুক চিতিয়ে স্বাধীনতা লড়াই লড়েছিলেন। আজও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধায় এই দিনটিকে স্মরণ করা হয়। ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন প্রায় ৩০ হাজার সাঁওতাল কৃষক বীরভূমের ভগনডিহি থেকে কলকাতার দিকে পদযাত্রা করেছিলেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই প্রথম গণপদযাত্রা। এই গণঅভ্যুত্থানই পরবর্তীকালে সাঁওতাল বিদ্রোহের আকার নেয়।

জুন ৩০, ২০২১
দেশ

রাজপথে নারীশক্তির নয়া ইতিহাস

নারীশক্তির এক নতুন ইতিহাস রচিত হল ৭২তম সাধারণতন্ত্র দিবসে। এই প্রথমবার ভারতীয় বায়ুসেনার দুই মহিলা পাইলট অংশ নিলেন দিল্লিতে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে। একজন মাটিতে, অন্যজন আকাশের বুকে গড়লেন অনন্য নজির। ভাবনা কান্থ ও স্বাতী রাঠোর। দেশের সামরিক শক্তিতে মহিলাদের অবস্থানকে প্রদর্শিত করলেন তাঁরা। ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে খচিত থাকবে এই দুই নাম।ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ২৮ বছরের ভাবনা কান্থ প্রথম মহিলা ফাইটার পাইলট হিসেবে এদিন অংশ নেন বায়ুসেনার ট্যাবলোতে। সেই প্রতিরক্ষা ট্যাবলোতে লাইট কমব্যাট বিমান, হেলিকপ্টার ও সুখোই-৩০ ফাইটার বিমান প্রদর্শিত হয়। সেখানেই স্যালুটরত অবস্থায় দেখা যায় ভাবনাকে। অন্যদিকে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট স্বাতী রাঠোর ছিলেন Mi-17 V5 হেলিকপ্টারে। মোট চারটি চপারকে সেই সময় দেখা যায় ফ্লাইপাস্ট প্যারেডে। তাতেই অংশ নিলেন স্বাতী। গড়লেন নয়া ইতিহাস।#RepublicDay: Flt Lt Bhawna Kanth, one of the first three female fighter pilots of the country, is part of the Indian Air Force tableau at the Republic Day parade pic.twitter.com/60JSBMVtvZ ANI (@ANI) January 26, 2021

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের

রেলের এলাকায় বেআইনি ভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে লাঠি হাতে নিয়ে মিছিল করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। মিছিলে মহিলা-পুরুষ সকলের হাতেই ছিল মুঙ্গেরের লাঠি। এর আগে এই উচ্ছেদের প্রতিবাদ করতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা ঝাঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে। অসিত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার নোটিশ দিয়েছে রেলের এলাকায় চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর ধরে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ব্যান্ডেল অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে আজ এখানে লাঠিসহ মিছিল করলাম। এর আগে মেয়েরা ঝাঁটা নিয়ে বেরিয়ে ছিল। আজ আমরা লাঠি নিয়ে বেরিয়েছি। রেলের আরপিএফের ক্ষমতা দেখতে চাই। মানুষের পেটে লাথি মারবার সরকার কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের ক্ষমতা বেশী না গরীব মানুষের ক্ষমতা বেশি। আরও পড়ুন ঃ ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি তিনি আরো বলেন, লকেট চট্টোপাধ্যায় নাটক করছেন। যখন এই নোটিশ জারি করা হয়েছিল, তখন তো লকেট চট্টোপাধ্যায় কোনও কথা বলেননি। এই উচ্ছেদ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে রেল কতৃপক্ষ আরও ৬ মাস সময় নিয়েছে বলে প্রচার চলছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সে বিষয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করার কথা রয়েছে। অসিত মজুমদার সেই প্রসঙ্গে বলেন, ব্যান্ডেলের মানুষ প্রতিবাদ করেছে। নির্বাচন সামনে আসছে, এখন নাটক করছে। বিকল্প ব্যবস্থা করে উচ্ছেদ করতে হবে। বিধায়কের জবাব, হ্যা করছি। দরকার হলে গরীব মানুষের জন্য করব। যাদের পেটে লাথি মারছে, এই শীতে তাঁদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করলে যা করতে হয় তাই করব। রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

নাবালক খুনের ঘটনায় বিজেপির মিছিলে রণক্ষেত্র মল্লারপুর

পুলিশ হেফাজতে নাবালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শনিবার ১২ ঘণ্টা মল্লারপুর বন্ধের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সকাল থেকেই থমথমে ছিল এলাকা। বন্ধ ছিল এলাকার বাজার এবং দোকানপাট। এদিন সকালে নাবালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে মিছিল বের করে বিজেপি। মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। পুলিশ বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এমনকি পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙে আন্দোলনকারীরা। এরপর মল্লারপুর থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে শুরু করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভে সামিল হন সৌমিত্র খাঁ সহ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ সবার অলক্ষ্যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে পড়ে মহিলার দেহ, পুলিশি তৎপরতায় দেহ উদ্ধার এদিন সৌমিত্র খাঁ বলেন , মল্লারপুর থানার ওসিকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হব। মানবাধিকার কমিশনের দ্বারস্থ হব। এলাকায় যাতে কেউ বিজেপি করতে না পারে , সেই জন্য এই নাবালককে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। তিনি আরও বলেন , সর্বাত্মক বন্ধ পালিত হচ্ছে মল্লারপুরে। এটা কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়। পুলিশের নির্যাতনেই মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হবে। এই ঘটনায় তিনি সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানান। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার চুরির অভিযোগে শুভ মেহেনা নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সে মল্লারপুরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা। গভীর রাতে থানার লকআপে মৃত্যু হয় শুভর। এরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, লকআপে অমানুষিক অত্যাচারের কারণেই মৃত্যু হয়েছে শুভর। পুলিশই খুন করেছে তাঁদের পরিবারের সদস্যকে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। পরে যদিও নিজেদের বয়ান বদল করে ওই নাবালকের বাবা-মা এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলেই দাবি করেন। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি মল্লারপুর থানার পুলিশের। তাঁদের কথায়, লকআপে থাকাকালীন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন শুভ। পুলিশ কর্মীরা তাঁকে কোনওরকম নিগ্রহ করেনি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
কলকাতা

বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের

উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের ঘটনা , কৃষিবিল প্রত্যাখ্যান সহ পাঁচ দফা দাবিতে সো্মবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল থেকে গান্ধী্মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল করল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ। তাদের আরও দাবিগুলি হল , দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যগুলির জিএসটি বাবদ যা প্রাপ্য , সেই টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। বাংলাকে ভাগ করার যে চেষ্টা চলছে , এদিনের মিছিল থেকে তারও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। মিছিল শেষ হওয়ার পরে তারা অবস্থান বিক্ষোভে বসে। তাদের দাবি, রাজ্যপালকে স্মারকলিপি জমা দেবে। কয়েক ঘণ্টা ধরে তাদের এই অবস্থান বিক্ষোভ চলে। আরও পড়ুনঃ বাংলায় সব পুজো মণ্ডপ দর্শকশূন্য রাখতে হবে , রায় হাইকোর্টের এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন , বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ , সভাপতি শামিরুল ইসলাম । এছাড়াও গুড হিউম্যান ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে রাফে সিদ্দিকি , জাতীয় বাংলা সম্মেলনের তরফ থেকে সভাপতি অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

মনীশ শুক্লা হত্যার ঘটনায় মোমবাতি মিছিল বিজেপির

বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠি ও বেগুনি জল দিয়ে দলের কার্যকর্তাদের অসুস্থ করার প্রতিবাদে শুক্রবার মৌ্ন মিছিলের ঘোষণা করে বিজেপি। সেইমতো শুক্রবার বিকেল ৪ টে নাগাদ মুরলীধর সেন লেনের বিজেপির সদর অফিস থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ অবধি মৌন মিছিল করেন। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, দলের অন্যতম নেতা সায়ন্তন বসু সহ বহু সমর্থক। পাশাপাশি এদিন ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে আর একটি মৌন মিছিল বের হয়। অর্জুনের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক সুনীল সিং, পবন সিং সহ এলাকার নেতৃবর্গ ও সমর্থক। মনীশ শুক্লার হত্যার প্রতিবাদে মোমবাতি নিয়ে ছিল এই মিছিল। অর্জুন সিং জানান, সিআইডি নয় তাঁরা সিবিআই তদন্ত চান। এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরেও অনুরোধ জানাবেন। কারণ, সিআইডি রাঘব - বোয়া্লদের ছেড়ে চুনোপুটিদের ধরছে। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের নবান্ন অভিযানে মহামারী প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করায় দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জয়প্রকাশ মজুমদার সহ রাজ্য বিজেপি নেতাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, সরকার ভয় পেয়ে তাদের নামে মামলা দায়ের করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদ,বাম ও কং মিছিলে বাধা পুলিশের

হাথরস কাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার বিড়লা তারামণ্ডল থেকে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন তিনি।তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে যোগ দেন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা, সাংসদ এবং বিধায়করা। ছিলেন অসংখ্য কর্মী-সমর্থকরাও। অপরদিকে একই ইস্যুতে মৌলালী থেকে ধর্মতলা থেকে যৌথ প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেছিল বাম-কংগ্রেসের যুব-ছাত্র-মহিলারা। মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল পুলিশি নিরাপত্তায় অবাধে পুরো পথ পরিক্রমা করলেও আটকে দেওয়া হল বাম-কংগ্রেসের মিছিল। বিরোধীদের বক্তব্য, এই রাজ্যেই গণতন্ত্র নেই, তাই একযাত্রায় পৃথক ফল। শনিবার বিকেলে বামফ্রন্ট ও প্রদেশ কংগ্রেসের এক যৌথ মিছিল মৌলালি থেকে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। মিছিলে দাবি ওঠে, কেন্দ্রে মোদী ও উত্তরপ্রদেশে যোগীর মতো সরকারের আর প্রয়োজন নেই। তাদের জমানায় মেয়েরা নিরাপদ নন।ধর্মতলা ঢোকার মুখে ওই মিছিলটি আটকায় পুলিশ। বাম-কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।এরপরই কর্মী সমর্থকরা ধর্মতলা ওয়াই চ্যানেলে বসে পড়েন। মশাল জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বাম-কংগ্রেস সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি তাঁদের ইউপি ভবন যেতে দিতে হবে।মিছিলে ছিলেন প্রাক্তন মেয়র বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য বাম নেতারা। ধর্মতলায় জমায়েতের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদী ও যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুলে আগুন ধরান বিক্ষোভকারীরা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফিরে এল পাঁচ বছর আগের স্মৃতি! তৃণমূল কর্মীর বাইকে সওয়ার হলেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রায় পাঁচ বছর আগে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে নজর কেড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি ফের যেন ফিরে এল এবারের ভোট প্রচারে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তর কেন্দ্রে রোড শো করতে গিয়ে হঠাৎই দলীয় কর্মীর বাইকে চড়ে প্রচার সারলেন তিনি।দমদম উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সমর্থনে এদিন বিরাটির বণিক মোড় থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত রোড শো ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে তিনি গাড়িতে করে বিরাটি মিনি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছন। তারপর কিছুটা রাস্তা হেঁটে এগোন। এরপর আচমকাই এক দলীয় কর্মীর বাইকে উঠে পড়েন তিনি। বাইকে চড়েই বাকি পথ পাড়ি দেন এবং সেইভাবেই জনসংযোগ করেন।এই দৃশ্য দেখে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। অনেকেই বলছেন, এইভাবেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা পরিচয়।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার জোরকদমে চলছে। তৃণমূল নেতৃত্ব একাধিক জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন। কখনও হুগলি, কখনও উত্তর ২৪ পরগনা, আবার সন্ধ্যায় কলকাতাএভাবেই টানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন তাঁরা। তারই মাঝে এই বাইক যাত্রা নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।উল্লেখ্য, একুশ সালের আগে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি গাড়ি নয়, বৈদ্যুতিক স্কুটারে করে নবান্নে যাবেন। সেই মতো কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্কুটিতে চড়ে তিনি নবান্নে পৌঁছেছিলেন। এবার আবার ভোটের মাঝেই বাইকে চড়ে প্রচারে নামায় সেই পুরনো ঘটনার স্মৃতি উসকে দিল।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অপরাধে আসানসোলে খুন! সিসিটিভিতে ধরা পড়তেই গ্রেফতার ৩, তীব্র চাঞ্চল্য

আসানসোলে (Asansol) কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনায় শনিবার তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা রাজনৈতিক হিংসার নয়। জেলা নির্বাচন আধিকারিক কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, রাস্তায় গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কংগ্রেস (Asansol) প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইতুণ্ডি দাবি করেছেন, নিহত যুবক দেবদীপ চট্টোপাধ্যায় তাঁর পরিচিত এবং তাঁর হয়েই প্রচার করেছিলেন।প্রসেনজিৎ জানান, শুক্রবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গাড়িতে ফিরছিলেন দেবদীপ। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। এরপর দেবদীপ গাড়ি থেকে নামলে তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয় (Asansol)। অভিযোগ, দেবদীপ তাঁর নাম করে অভিযোগ জানাবেন বলতেই দুষ্কৃতীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। লাথি-ঘুষিতে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তাঁকে। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় বলে দাবি কংগ্রেস প্রার্থীর। তাঁর অভিযোগ, এই দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার একটি আবাসনে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই মারধরের ঘটনা ঘটে এবং শনিবার সকালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনার পর কংগ্রেস প্রার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আসানসোল দক্ষিণ থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান (Asansol)।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দাউদাউ আগুনে ছাই বস্তি! একের পর এক সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা-সন্তোষপুর এলাকায় একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুনে বহু ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তত ৪০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মোট ৫০ থেকে ৬০টি ঘর আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শনিবার আচমকা আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আগুনের তীব্রতায় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দূর থেকেও সেই ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আতঙ্কে বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন।প্রথমদিকে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। জল ঢেলে ও বিভিন্নভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশও পৌঁছে উদ্ধারকাজে সাহায্য করছে।এই অগ্নিকাণ্ডে রেললাইনের ওভারহেড তার পুড়ে যাওয়ায় বজবজ-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গায় নৌকাবিহার ঘিরে মোদিকে তোপ! মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষে তোলপাড় রাজনীতি

উত্তরপাড়ার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গঙ্গায় নৌকাবিহার নিয়ে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি দাবি করেন, সেনাবাহিনীর বিশেষ নৌকায় চড়েই গঙ্গায় ঘুরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই নৌকায় কোনও দুর্ঘটনার ভয় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন নৌকাবিহার করছেন এবং হুগলি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। তাঁর কথায়, সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই এই সফর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের ঘাটগুলি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে, সেগুলিও নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতীতের একটি ঘটনাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি দাবি করেন, কোভিডের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা পরে মালদহে পাওয়া যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তিনি।এছাড়া দিল্লির যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গঙ্গা পরিষ্কার রাখতে রাজ্য চেষ্টা করে, কিন্তু কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য মেলে না। ড্রেজিংয়ের জন্য অর্থ দেওয়া হয় না বলেও দাবি করেন তিনি। বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, দিল্লিতে যমুনার দূষণ কতটা বেড়েছে, তা একবার দেখে নেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, যমুনার জল এতটাই দূষিত যে সেখানে নামলে ক্ষতি হতে পারে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! ডায়মন্ড হারবারে ৫ পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য রাজনীতিতে

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পাঁচজন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে তাঁদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার পুলিশ সুপার ড. ইশানি পালকে সতর্ক করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডিশনাল এসপি সন্দীপ গড়াই, এসডিপিও সাজিল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ এবং উস্তি থানার ওসি সুবেচ্ছা বাগ। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত ২২ তারিখে নিযুক্ত পুলিশ অবজার্ভার এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।তবে ঘটনার মধ্যেই নতুন বিতর্কও সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, ওই পুলিশ অবজার্ভার নাকি এক বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে একটি হোটেলে বৈঠক করেছিলেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এর আগে পুলিশ পর্যবেক্ষক পি এস পুরুষোত্তম দাসকে অপসারণের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না এবং ডায়মন্ড হারবার, ফলতা ও মগরাহাট অঞ্চলে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিচ্ছেন। তৃণমূলের আইনজীবীর দাবি ছিল, বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি আলাদা করে হোটেলে বৈঠক করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়।এই পুরো ঘটনার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে ডায়মন্ড হারবারের প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেই বদলে গেল আবহাওয়া! বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, কোথায় কতটা প্রভাব?

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র গরমের পর এবার রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে ভোটের সময় আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এপ্রিলের শেষ ভাগে রাজ্যে কিছুটা স্বস্তির বৃষ্টি দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।কলকাতার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দুপুর বা বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রাও বেশি থাকবে, যা অস্বস্তি বাড়াতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকদিনের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে, যা ভোটের সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে মৎস্যজীবীদের জন্যও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশার উপকূলে আগামী কয়েকদিন সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও ভিন্ন। সেখানে ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ধূপগুড়ি, বানারহাট ও গয়েরকাটা এলাকায় ঝড়বৃষ্টিতে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। বহু জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে, বাজার-হাটও প্রভাবিত হয়েছে। কৃষক ও শ্রমিকদের কাজেও বড় প্রভাব পড়েছে এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের মুখে বাংলার আবহাওয়া নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি এলেও ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা ভোটের দিনগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই হাবড়ায় ইডির হানা! একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভোররাতের তল্লাশি

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই এই অভিযান শুরু হয়। হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডে চাল ব্যবসায়ী সমীর চন্দের বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। অভিযোগ, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। কোথা থেকে চাল কেনা হয়, কী দামে বিক্রি হয় এবং বাজারে কীভাবে সরবরাহ করা হয়, সেই সমস্ত আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই দিনে হাবড়ার শ্রীনগর রোডে আরও এক চাল ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পৌঁছে কিছু সময় বাইরে অপেক্ষার পর ভিতরে ঢুকে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। পরিবারের সদস্যদেরও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় হাবড়ার অন্তত তিনজন চাল ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই একাধিক দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযোগ, রেশন সামগ্রী কালোবাজারিতে বিক্রি করা হচ্ছিল এবং বিপুল আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার ঘটনাও সামনে এসেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা রয়েছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, যাঁকে এই একই মামলায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।শনিবার ভোরের এই অভিযানের সময় অধিকাংশ পরিবারই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বারবার দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত অভিযান চলছে বলে খবর।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal